Showing posts with label public university. Show all posts
Showing posts with label public university. Show all posts

Thursday, September 10, 2015

on

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে কর্মবিরতি, কালো ব্যাজ ধারণ ও মৌন মিছিল

পবিপ্রবি ভয়েস:বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর অশোভন বক্তব্যের প্রতিবাদে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে কর্মবিরতি, কালো ব্যাজ ধারণ ও মৌন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে আজ বেলা ১১:০০ টায় পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে সকল অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের উপস্থিতিতে র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরসহ পার্শ্ববর্তী সড়ক প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনে এসে শেষ হয় । এসময় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ কালো ব্যাজ ধারণ করে র‍্যালীতে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালী শেষে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর জেহাদ পারভেজের সঞ্চালণায় একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল হক, প্রফেসর ড. সুলতান মাহমুদ,  প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত,  প্রফেসর ড. মোঃ আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. এস.এম. তাওহিদুল ইসলাম,জনাব মোঃ রেশাদ মল্লিক প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার খাতিরে উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য বলেন।

সমাপণী বক্তব্যে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর মোহাম্মদ আলী বলেন,”আমরা অর্থমন্ত্রীর অশোভন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য তাকে আহ্বান করছি। তা না হলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচী গ্রহণ করতে বাধ্য হবো”। এছাড়া তিনি আগামী ১৩ই সেপ্টেম্বর অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের প্রতিবাদ সভায় সকল শিক্ষক-শিক্ষিকাকে সর্বাত্মকভাবে অংশগ্রহণের জন্য বলেন।

on

বশেমুরবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে নতুন ৬টি বিভাগ

বশেমুরবিপ্রবি ভয়েস :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ২০১৫-১৬ শিক্ষবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় চলতি বছর থেকেই যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ছয়টি বিভাগ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ১৪টি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আইন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, মার্কেটিং এবং অ্যাগ্রিকালচার নামে নতুন ৬টি বিভাগ।

ফলে চলতি বছর ২০টি বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের আওতায় ১৪টি বিভাগ চালু রয়েছে।

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে নতুন চালু হতে যাওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিজ্ঞান অনুষদের আওতায়, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জীববিজ্ঞান অনুষদের আওতায়, মার্কেটিং বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের আওতায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের আওতায়।

তবে অ্যাগ্রিকালচার এবং আইন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা কোন অনুষদের আওতায় অনুষ্ঠিত হবে এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ভর্তি বিজ্ঞপ্তিসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.bsmrstu.edu.bd-এ পাওয়া যাবে।

on

ঢাবির ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। আজ সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়ার সমাপ্তি টানবেন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ অক্টোবর, ‘খ’ ইউনিটের ৯ অক্টোবর, ‘গ’ ইউনিটের ১৬ অক্টোবর, ‘ঘ’ ইউনিটের ৬ নভেম্বর এবং ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান অংশ ১০ অক্টোবর ও অঙ্কন অংশ ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

on

পবিপ্রবির দুই কর্মকর্তার বিদায়ী সংবর্ধনা

পবিপ্রবি ভয়েস: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) চাকুরির মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ায় অবসরোত্তর বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই বিদায়ী সংবর্ধনায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি ভিসি প্রফেসর ড মো. রবিউল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড মো. সুলতান মাহমুদ।  সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোতালেব খান, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভপতি ডা. এ টি এম নাছির উদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম কাওছার, মো. কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান জুয়েল, প্রচার সম্পাদক মো. ওয়াজকুরনী, দপ্তর সম্পাদক মো. ফিরোজ আহমেদসহ আরো অনেকে।

উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মি অনিল কুমার দাস ও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল হাকিম খানের চাকুরির মেয়াদ পূর্ণ করায় এই বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছে সংগঠনটির মুখপাত্র।

Wednesday, September 9, 2015

on

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে নোবিপ্রবিতে " কন্সার্ট ফর হিউম্যানিটি"

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের
বাঁচাতে নোবিপ্রবিতে কন্সার্ট ফর
হিউমিনিটি

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ তরিকুল
শাওন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ে(নোবিপ্রবি)
ক্যান্সার আক্রান্ত
শিক্ষার্থী চিশতী ও নাসের কে
বাঁচাতে “কন্সার্ট ফর হিউমিনিটি”
শীর্ষক এক
কন্সার্টের আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার(৮ই সেপ্টেম্বর)দুপুর ২টা থেকে
রাত ৮টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের
সবচেয়ে জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন
“প্রতিধ্বনি” এ কন্সার্টের আয়োজন
করেন।
নোবিপ্রবির মাননীয় উপাচার্য
ড.অহিদুজ্জামান দুপুর ২টায় বীর
মুক্তিযুদ্ধা এম
ইদ্রিস আলী অডিটরিয়ামে এ
কন্সার্টের উদ্ভোদন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড.নেওয়াজ
মোহাম্মদ বাহাদুর,
শিক্ষক সমিতির সভাপতি
ড.জাহাঙ্গীর সরকার,সাধারন সম্পাদক
মুশফিকুর রহমান,ভাষা
শহীদ আব্দুস সালাম হলের প্রভোষ্ট ড.
ইউসুফ মিয়া সহ বিভিন্ন
ডিপার্টমেন্টের
শিক্ষকবৃন্দ।
অনুষ্টানের শুরুতে ভাষা শহীদ আব্দুস
সালাম হলের প্রভোষ্ট ড.ইউসুফ মিয়া
ক্যান্সার আক্রান্ত চিশতী ও নাছের
কে নিয়ে তার স্ব-রচিত কবিতা পাঠ
করে শুনান।
তার পর একে একে গান পরিবেশনের
মাধ্যমে শত শত দর্শকদের মুগ্ধ করেন
ক্যাম্পাস ভিত্তিক নামকরা ব্যান্ডদল...
- দ্যা ইন্সপাইয়ার
- বাঙ্গাল
- ডাকটিকেট
- চিলেকোঠা এবং
- টু পয়েন্ট জিরু ওয়ান
এ ব্যাপারে প্রতিধ্বনির সংস্কৃতি
বিষয়ক সম্পাদক রাইয়ান রিমনের কাছে
জানতে
চাইলে তিনি বলেন,চিশতী ভাই ও
নাসের ভাইয়ের চিকিৎসার জন্য প্রচুর
টাকার প্রয়োজন
যা তার দরিদ্র পরিবার বহন করতে অক্ষম।
তাদের চিকিৎসা অর্থ জোগাড় করতেই

কন্সার্টের আয়োজন করেছে প্রতিধ্বনি
এবং কন্সার্ট থেকে উপার্জিত সমস্ত
অর্থ
তাদের চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে
দেয়া হবে।।
on

খেলাকে কেন্দ্র করে বশেমুরবিপ্রবি'তে সংঘর্ষ; আহত ২

খেলাকে কেন্দ্র করে
বশেমুরবিপ্রবি'তে সংঘর্ষ; আহত ২
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিবেদকঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে
আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র
করে লোক প্রশাসন ও এইসি বিভাগের
মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই জন
শিক্ষার্থী আহত হয়েছে এবং একজন
শিক্ষক লাঞ্চিত।
আজ বিকেলে আন্তঃবিভাগ ফুটবল
টুর্নামেন্ট ২০১৫ এর কোয়ার্টার
ফাইনাল খেলা এইসি ও লোকপ্রশাসন
বিভাগের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। খেলার
শেষ পর্যায়ে খেলায় অনিয়মের
অভিযোগ তোলা হলে দুই বিভাগ
সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের এক
পর্যায়ে দুই বিভাগের দুই জন আহত হয়। দুই
বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা
বললে তারা একে অপরকে দোষারোপ
করে। লোক প্রশাসন বিভাগের
শিক্ষার্থী এইসি বিভাগকে এই
সংঘর্ষের জন্য দায়ী বলে জানায়। অপর
দিকে এইসি বিভাগের
শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, লোক প্রশাসন
বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীরা
এইসি বিভাগের সিনিয়র
শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালালে
তারা এর প্রতিরোধ করে। তবে
লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা
এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে দুই বিভাগের
শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করা
হলে উনারা এই বিষয়ে কথা বলতে
রাজি হননি।
সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে বিপুল সংখ্যক
পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে।
বশেমুরবিপ্রবি'র মাননীয় উপাচার্য
সংঘর্ষের সংবাদে ঘটনাস্থলে
উপস্থিত হন।
রাতে দুই দলের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের
আশংকায় ক্যাম্পাসে কড়া
নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাস উত্তপ্ত
রয়েছে।

Tuesday, September 8, 2015

on

নোবিপ্রবিতে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক সমিতি দিনব্যাপি কর্মবিরতি পালন করছে।
মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ কোন ক্লাস, পরীক্ষা এবং দাপ্তরিক কোন কাজে অংশগ্রহণ করেননি। এছাড়া নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির উদ্যেগে র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১২টায় ক্যাম্পাসে র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক অংশগ্রহন করেন।
র‍্যালী শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডঃ জাহাঙ্গীর সরকার এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমান।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ফরহাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক আফসানা মৌসুমি, ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল প্রভোস্ট ডঃ মোঃ ইউসুফ মিয়া।

on

পবিপ্রবি তে শিক্ষকদের র‍্যালী ও কর্মবিরতি পালন

পবিপ্রবি ভয়েস:অষ্টম পে-স্কেলে পরিবর্তন ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেল প্রণয়নের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এ কর্মবিরতি পালন করে।

কর্মসূচি উপলক্ষে সকালে শিক্ষকরা একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে র‍্যালি বের করেন। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে একই স্থানে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. জেহাদ পারভেজ, প্রফেসর আ ক ম মোস্তফা জামান ও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা।

এদিকে, শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্বঘোষিত ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

on

বশেমুরবিপ্রবি; সেশনজট মুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিবেদকঃ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেশনজটের সাথে পরিচিত হয়ে যান ভর্তি হবার পর পরই। বর্তমান সময়ে সেশনজট নেই এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের দেখা মেলা ভার। প্রত্যেকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালযে কোনো না কোনোভাবে সেশনজট থাকেই।
তবে এদিক বিবেচনায় সেশনজটমুক্ত থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( বশেমুরবিপ্রবি ) সগৌরবে এগিয়ে চলেছে ।
দেশের ৩৪তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। এখন পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪টি বিভাগের কোনো বিভাগেই সেশনজট নেই ।
২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় । এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ১ দিনের জন্যও সেশনজট হয়নি। বর্তমানে ২১০০ এর মতো শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচ এবছর ডিসেম্বরে তাদের শিক্ষা জীবন শেষ করে বের হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শুরুর ৪ বছরেও ১ দিনের জন্য সেশনজটের ফাঁদে না পড়ায় শিক্ষার্থীরা খুবই উৎফুল্ল। তারা অনেকেই জানান, তাড়াতাড়ি শিক্ষা জীবন শেষ করে চাকরি জীবনে পদার্পণ করবে।
সেশনজটে যেন না পড়তে হয় সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খুবই সতর্ক।

on

বশেমুরবিপ্রবি'তে শিক্ষকদের পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ মিছিল

বশেমুরবিপ্রবি'তে শিক্ষকদের পূর্ণ দিবস
কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ মিছিল

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিবেদকঃ
অনুমোদিত ৮ম জাতীয় বেতন কমিশনে
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রতি বৈষম্য
দূরীকরণ ও মর্যাদাপূর্ণ স্বতন্ত্র বেতন
নির্ধারণ সহ চার দফা দাবী
বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষক
সমিতির নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল ১১
টায় সকল শিক্ষকের অংশগ্রহণে একটি
প্রতিবাদ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল ক্যম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমূহ
প্রদক্ষিণ শেষে শিক্ষকবৃন্দ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের
সামনে উপস্থিত হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ
সমাবেশ করেন। সেখানে বক্তব্য
রাখেন শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত
সভাপতি বিভূতি সরকার, ভারপ্রাপ্ত
সাধারণ সম্পাদক কাজী মসিউর রহমান,
অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক মো.
আলাউদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের
অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবস্থাদৃষ্টে
মনে হয়- একটি কুচক্রী মহল পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালগুলোকে অস্থির করে
তুলে, সরকারকে বেকায়দায় ফেলে
একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ
সংরক্ষণে কাজ করছে। দু একটি ভিন্নতা
ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ
মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতায়
আসেন। শিক্ষকদের জন্য সামরিক
বেসামরিক আমলাদের চাইতে কম
মর্যাদা ও সুযোগসুবিধা নির্ধারিত
হলে মেধাবীরা এ পেশা থেকে মুখ
ফিরিয়ে নেবে। ফলে এ দেশের
শিক্ষা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়বে।
অযোগ্যরা আসন করে নেবে এ পেশায়।
ফলে যোগ্য বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্বের
সংকটে পড়ে সরকারের পক্ষে শুধু
আমলাদের নিয়ে ২০৪১ সালের লক্ষ্য
পূরণ সম্ভব হবে না। সম্ভব হবে না বঙ্গবন্ধুর
স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মান করা।
তারা আরো বলেন, এ আন্দোলন
সরকারের বিরুদ্ধে নয় বরং সরকার
যাতে বিনিয়োগের সবচাইতে
গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে শিক্ষাকে
চিহ্নিত করতে পারে এবং এর মধ্য
দিয়ে শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের প্রাপ্য মর্যাদা
ও সুবিধাদি অর্জন করতে পারে সে
কারণে এ কর্মসুচী।
কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ সকল ক্লাস-
পরীক্ষা বর্জন করেন বশেমুরবিপ্রবি
শিক্ষকবৃন্দ।
দাবি মানা না হলে আরও কঠিন
পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ জানানো হয়
বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির পক্ষ
থেকে।
একথা উল্লেখ্য, বাংলাদেশ
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি
ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক
আজ সারা দেশের সকল পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ে এক যোগে ক্লাস-
পরীক্ষা বর্জন ও প্রতিবাদ মিছিল
কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে। তারই
ধারাবাহিকতা বশেমুরবিপ্রবির
কর্মসূচী। দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচী
চলমান থাকবে।
on

শেকৃবিতে বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগ


মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবের, শেকৃবি।।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল সাইন্স এ্যান্ড ভেটেরিনারী মেডিসিন অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি এ্যান্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান সোমবার সকাল ১১ টায় ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পরে বিকালে নিজের ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ক্ষোভ-অভিমান প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটে দালালদের হুমকির শিকার হয়েছিলেন শেকৃবির এই শিক্ষক। এর পরের দিনই কিছু লোক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এসে তাঁর বাসায় আবারও হুমকি দিয়ে যায়। এছাড়া শেখ কামাল অনুষদ ভবনে অবস্থিত তাঁর চেম্বারের দরজার হাতল কে বা কারা খুলে নিয়ে যায় এবং ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকায় অবস্থিত তাঁর বাসভবনে পোষা পাখি ছেড়ে দেয়। এভাবে কয়েকটা দিন চলে যাওয়ার পরে আজ তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে ফেসবুকে তার ওয়ালে দেয়া স্ট্যাটাসে ক্ষোভ ও অভিমান ফুটে ওঠে।

এ ব্যাপারে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পদত্যাগ করাটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার’। তবে হুমকির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘ঐ টার সাথে পদত্যাগের কোন যোগসাদৃশ্য নাই। আমি আমার ফ্যামিলিকে সময় দেবার জন্যে পদত্যাগ করেছি’। তবে এনিম্যাল সাইন্স এ্যান্ড ভেটেরিনারী মেডিসিন অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মোফাজ্জল হোসাইন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। পদত্যাগ পত্রের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম  বলেন, ‘আজ ব্যাক্তিগত কারণ দেখিয়ে উনি শেষ ঘন্টায় পদত্যাগ পত্র জমা দেন যে কারণে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। কাল(আজ) এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে’।

Monday, September 7, 2015

on

৮ দফা দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের স্মারক লিপি প্রদান

৮ দফা দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের  স্মারক লিপি প্রদান

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ তরিকুল শাওন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা  বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড.অহিদুজ্জামান বরাবর ৮ দফা দাবি সম্বলিত স্মারক লিপি প্রদান করেছে।
সোমবার(৭ই সেপ্টেম্বর)  সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করে তাদের দাবি সম্বলিত বিভিন্ন শ্লোগান দিচ্ছিল।
শেষে তারা ১২ টা ৪০ মিনিটে ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। দাবিসমূহ
১.বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ওয়াইফাই এর আওতায় নিয়ে আসা।
২.ইম্প্রুভমেন্ট সিস্টেম চালু করা
৩.নির্মানাধীন হলের কাজ দ্রুত শেষ করা ও  বিদ্যমান হলে রিডিং রুম,ডায়নিং রুম ও ইনডোর খেলার ব্যবস্থা করা।
৪.কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কাজ দ্রুত শেষ করা।
৫.কেন্দ্রীয় মসজিদ ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য যথাপোযুক্ত  ব্যবস্থা করা।
৬.কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের কাজ দ্রুত শেষ করা।
৭.বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ চালু করা ও
৮.নতুন একাডেমিক ভবনের কাজ শুরু করা।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর  ড.অহিদুজ্জামান   বলেন,  হলে বিদ্যমান রিডিং রোম,ডাইনিং রোম,সমস্ত ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই সংযোগ ইত্যাদির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং নির্মানাধীন তিনটি হলের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।এ সময় তিনি  শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব  সমস্যা গুলো সমাধানের চেষ্টা করবেন

Sunday, September 6, 2015

on

স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার অপেক্ষায় পবিপ্রবির বহিঃস্থ ক্যাম্পাস!

পটুয়াখালী
বিজ্ঞান

প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়
(পবিপ্রবি)
বরিশালের
বাবুগঞ্জ
ক্যাম্পাসকে
স্বতন্ত্র
বিশ্ববিদ্যালয়ে
রূপান্তরের
দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।
বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী
রাশেদ খান মেননের কাছে রোববার
১০ সহস্রাধিক গণস্বাক্ষর সম্বলিত
স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয়
বাস্তবায়ন পরিষদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়
বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক কমরেড
বজলুর রহমান মাস্টার, সদস্য সচিব
সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না, যুগ্ম
আহবায়ক কমরেড নুরুল আলম শরীফ, বদরুল
আলম সদস্য শাহিন মাহমুদ প্রমুখ।
বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন পরিষদের
সদস্য সচিব আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন,
মন্ত্রী বিষয়টি খুব ভালোভাবে গ্রহণ
করেছেন। আমাদের সামনেই তিনি
শিক্ষামন্ত্রীকে ফোনে বিষয়টি
জানান।
এর পর শিক্ষা সচিবকেও তিনি বিষয়টি
জানান। সবাই পজিটিভ আছেন বলে
জানান তিনি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে
অবহিত করবেন বলে নিশ্চিত করে
পর্যটনমন্ত্রী। তিনি আমাদেরকে আশস্ত্ব
করেছেন একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়
হওয়ার সব কিছুই আছে পবিপ্রবির
বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসে।
উল্লেখ্য পবিপ্রবির মেইন ক্যাম্পাস
(দুমকি, পটুয়াখালী ) এবং বরিশালের
বাবুগঞ্জে এনিমেল সায়েন্স অ্যান্ড
ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের
শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যা মূল
ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫০ কিমি দূরে
অবস্থিত।
এই বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসকে স্বতন্ত্র
বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপান্তরিত করা
এখানকার ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক–
শিক্ষিকা, কর্মকর্তা কর্মচারী ও
এলাকার সাধারণ মানুষের এখন প্রাণে
দাবি বলেও জানায় বাস্তবায়ন পরিষদ।
পবিপ্রবি, ০৬ সেপ্টেম্বর//

Wednesday, September 2, 2015

on

ইভটিজারদের হামলার শিকার নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী হাসপাতালে

ইভটিজারদের হামলার শিকার নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী হাসপাতালে

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ তরিকুল শাওন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) সংগঠিত যৌন হয়রানীর প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত ইভটিজারদের ধরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে সোপর্দ করায় সাজ্জাদ হোসেন শিহাব (২৩) নামক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে অভিযুক্ত ইভটিজাররা। শিহাব নোবিপ্রবি’র ইংরেজী বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাইজদীর শহরের বালুর মাঠে তাকে ধরে নিয়ে ইট, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্নক আহত করে স্থানীয় ইভটিজাররা। এতে তার কোমরসহ সারা শরীরে মারাত্নক জখমের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে সে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাস্পাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে সুধারাম থানায়একটি ‘হত্যাচেষ্টার’ মামলা দায়ের করেছে। এবং সজীব(২২) নামক এক যুবককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডঃ নেওয়াজ মোঃ বাহাদুর বাংলানিউজকে জানান, আজ রাতের মধ্যেই দোষীদের গ্রেফতার করা হবে। আমরা হামলার শিকার শিক্ষার্থীর সকল ব্যয়ভার বহন করব।
এদিকে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযুক্তদের আমরা সনাক্ত করেছি। খুব দ্রুত সময়ে তাদেরকে গ্রেফতার করতে ডিবিসহ কয়েকটি টিমকে আমি নির্দেশ দিয়েছি।
গত ২১ আগস্ট (শুক্রবার) ক্যাম্পাসে বহিরাগত ৯ বকাটে বিকেল ৫টার সময় ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করে। এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বখাটেদের কান ধরে উঠ-বস করায় এবং একজনকে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করে বাকীদের ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে প্রশাসন তাকেও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।

Tuesday, September 1, 2015

on

ভেটেরিনারিয়ান হতে চাইলে!!!!

ভেটেরিনারিয়ান হতে চাইলে!!!!!

প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষেরই
পেশা কৃষি কেন্দ্রিক। তাই এ দেশের
মানুষের উন্নয়নের অর্থ হচ্ছে কৃষিকে
উন্নত করা। আর কৃষিক্ষেত্রের বৈপ্লবিক
উন্নয়নের জন্য প্রাণী সম্পদের উন্নয়নও
অপরিহার্য। আর এ প্রাণী সম্পদের
উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ
ভেটেরিনারিয়ান। প্রাণী
চিকিত্সকরাই সাধারণত
ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে
পরিচিত। দেশে প্রাণীদের নতুন নতুন
রোগের যেমন- এনথ্রাক্স, বার্ড ফ্লু
প্রভৃতির মতো ভয়াবহ জেনেটিক
রোগের প্রাদুর্ভাবের ফলে আমাদের
দেশে দিন দিন
ভেটেরিনারিয়ানদের চাহিদা ও
কাজের সুযোগ বেড়েই চলেছে। ফলে
ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে
ক্যারিয়ার শুরুর অল্পদিনের মধ্যেই
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। ফলে
এই বিষয়টির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন এখনকার
তরুণেরা।
পড়তে যে যোগ্যতা লাগবে: এ
পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার
মাধ্যমে একজন দক্ষ প্রাণী চিকিত্সক
হিসেবে দেশের সেবা করার জন্য
আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ হতে
পাস করতে হবে। সেই সাথে
জীববিজ্ঞান বিষয়টি অবশ্যই আপনার
বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে।
উচ্চশিক্ষার সুযোগ: ডিভিএম পাস
করার পর একজন ভেটেরিনারিয়ান
বাংলাদেশেই উচ্চতর শিক্ষা অর্জন
করতে পারেন। দেশের যে কোন
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
মাইক্রোবায়োলজি,
বায়োকেমিস্ট্রি, ফার্মেসী,
পাবলিক হেলথসহ সকল সাবজেক্টে এমএস
ও পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। সেই
সাথে উন্নত বিশ্বের যে কোনো
দেশে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন
বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমে
অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অন্য পেশা হতে
প্রাধান্য পেয়ে থাকে।
যে সব বিষয়ে পড়তে পারেন:
ভেটেরিনারি সায়েন্স ও মেডিসিন
বিষয়ের কোর্সগুলো সাধারণত পাঁচ
বছরের হয়ে থাকে। এর মূল উপজীব্য
হলো পশু-পাখির চিকিত্সা। এর
সাথে সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সব বিষয়ের
বাইরেও ওষুধবিদ্যা এবং
চিকিত্সাবিজ্ঞানের অনেককিছুই
পড়ানো হয়ে থাকে বিশেষায়িত এই
কোর্সে। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ
ও চিটাগং ভেটেরিনারি অ্যান্ড
অ্যানিমেল সায়েন্সেস
ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে
অ্যানাটমি, প্যাথলজি, ফিজিওলজি,
সার্জারি ইত্যাদি বেশকিছু বিভাগে
পড়ার সুযোগ। এর বাইরেও বেশকিছু
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি ও
অ্যানিমেল সায়েন্স পড়ানো হয়ে
থাকে। প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই
পড়ালেখার শেষে রয়েছে
ইন্টার্নশিপের সুযোগ।
আপনার সুযোগ: বর্তমান সময়ে
ভেটেরিনারি সায়েন্স বা
পশুচিকিত্সার বেশ ভালো চাহিদা
রয়েছে। দেশের বাইরেও চাকরির
সুযোগ ছাড়াও রয়েছে উচ্চতর
গবেষণার। এসব বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অর্জনের পরেই চাকরিতে প্রবেশের
সুযোগ পাওয়া যায়। তবে স্নাতক
ডিগ্রি অর্জনের পর স্নাতকোত্তর
ডিগ্রি অর্জন করতে পারলে সেটা
অবশ্যই আপনাকে এগিয়ে রাখবে। এসব
বিষয়ে পড়ালেখা শেষে চাকরির
ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে দেশের কৃষি
সংক্রান্ত বিভিন্ন ফার্ম। এসব ফার্মে
ভেটেরিনারি ডিগ্রিধারীদের
অগ্রাধিকার দেয়া হয়ে থাকে।
এছাড়া যেসব এনজিও পশুচিকিত্সা ও
প্রাণীদের নিয়ে কাজ করছে, সে সব
এনজিওতেও এসব বিষয়ের
শিক্ষার্থীদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
ভেটেরিনারি অফিসার হিসেবে
সরকারি চাকরির পদে এ বিষয়ে
ডিগ্রিধারীদের রয়েছে একাধিপত্য।
আর বড় বড় পোল্ট্রি ও ডেইরি
ফার্মগুলোতেও এই ডিগ্রিধারীদের
ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
পড়বেন যেখানে: চট্টগ্রামের চিটাগং
ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল
সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি ও চারটি
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশে
মোট আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদ বা
বিভাগ রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ),
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের
কৃষি অনুষদে রয়েছে ভেটেরিনারি
সায়েন্স বিভাগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পটুয়াখালী ও
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়েও ভেটেরিনারি
সায়েন্স অনুষদ রয়েছে। এ ছাড়া
ঝিনাইদহে রয়েছে ঝিনাইদহ সরকারি
ভেটেরিনারি কলেজ।
ভর্তি তথ্য ও আবেদন প্রক্রিয়া: যে সব
প্রতিষ্ঠানে ভেটেরিনারি সায়েন্স
পড়ানো হয়, তাদের নিজ নিজ
প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেই ভর্তি ও
আবেদন প্রক্রিয়ার যাবতীয় তথ্য পাওয়া
যাবে। নিচের তালিকায় এসব
প্রতিষ্ঠানের নাম এবং ওয়েবসাইটের
ঠিকানা তুলে ধরা হলো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটসমূহ
 চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.cvasu.ac.bd
 বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.bau.edu.bd
 শেরেবাংলা কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.sau.edu.bd
 সিলেট কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.sau.ac.bd
 শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়:bsmrau.edu.bd
 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: www.ru.ac.bd
 হাজী দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
www.hstu.ac.bd
 পটুয়াখালী প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.pstu.ac.bd

Monday, August 31, 2015

on

শিক্ষকদের তিন ঘন্টার কর্মবিরতি পালন

শিক্ষকদের তিন ঘন্টার
কর্মবিরতি পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন
কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবিতে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা
তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন
শিক্ষকরা। তবে পরীক্ষা এ কর্মবিরতির
আওতামুক্ত ছিল।
রোববার সকাল ১০টা + দুপুর ১টা
পর্যন্ত চলমান আন্দোলনের
ধারাবাহিকতায় সারাদেশের সকল
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মত চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও
কর্মবিরতি পালন করেন। চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এ
কর্মবিরতির ডাক দেয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির
সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আবুল মনছুর
এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী এস. এম.
খসরুল আলম কুদ্দুসী এক বিবৃতিতে
স্বতঃস্ফূর্তভাবে উক্ত কর্মসূচি পালন
করায় শিক্ষক সমাজ কে ধন্যবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষকদের
যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করে অষ্টম
জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা
হলে তাৎক্ষণিকভাবে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়
সম্মেলন ডেকে লাগাতার
কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি
ঘোষণা করা হবে।
শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আরও
জানিয়েছেন, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক
সমিতি ফেডারেশন এর সাথে
উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ
বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এর যৌথ সভা
অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত প্রায় তিনমাস ধরে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি
প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন
কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবিতে
আন্দোলন করে আসছে।
বেতন
কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবিতে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা
তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন
শিক্ষকরা। তবে পরীক্ষা এ কর্মবিরতির
আওতামুক্ত ছিল।
রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা
পর্যন্ত চলমান আন্দোলনের
ধারাবাহিকতায় সারাদেশের সকল
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মত চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও
কর্মবিরতি পালন করেন। চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এ
কর্মবিরতির ডাক দেয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির
সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ আবুল মনছুর
এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কাজী এস. এম.
খসরুল আলম কুদ্দুসী এক বিবৃতিতে
স্বতঃস্ফূর্তভাবে উক্ত কর্মসূচি পালন
করায় শিক্ষক সমাজ কে ধন্যবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষকদের
যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করে অষ্টম
জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা
হলে তাৎক্ষণিকভাবে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়
সম্মেলন ডেকে লাগাতার
কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি
ঘোষণা করা হবে।
শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আরও
জানিয়েছেন, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক
সমিতি ফেডারেশন এর সাথে
উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ
বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এর যৌথ সভা
অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত প্রায় তিনমাস ধরে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি
প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন
কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবিতে
আন্দোলন করে আসছে।
on

দালালের দৌরাত্মে অসহায় রোগীরাঃ শেকৃবি শিক্ষককে হত্যার হুমকি!

দালালের দৌরাত্মে
অসহায় রোগীরাঃ শেকৃবি শিক্ষককে
হত্যার হুমকি


 মোঃ আব্দুল্লাহ আল
জাবের, শেকৃবি।।

সরকারি হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্মের
কথা কারোর অজানা নয়। তবে অসহায়
মানুষদের থেকে জোঁকের মত রক্ত চুষে
নিতে একটুও হৃদয় কাঁপে না তাদের।
তাদের সিন্ডিকেটের কারণে
সাধারণ জনগণ আজ অসহায় হয়ে পড়েছে।
দরিদ্র রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা
দেয়ার জন্য জনপ্রতিনিধির সুপারিশের
কোন মূল্যই এদের কাছে নেই! মুল্য নেই
নীতির, মানবতার এমনকি
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকেরও। আর এতে
সহযোগিতা করছে তাদেরই কিছু দোসর,
যারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে অনিয়ম
আর নীতি বহির্ভূত কাজ করে যাচ্ছেন
দিনের পর দিন। তারই একটি নমুনা
দেখা গেছে আজ জাতীয় হৃদরোগ
ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে। দালাল
চক্রের খপ্পর থেকে এক রোগীকে
বাঁচানোর চেষ্টা করায়
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের
(শেকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড
প্যারাসাইটোলজি বিভাগের
চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসানকে
হত্যার হুমকি দিয়েছে দালাল চক্রের
সদস্যরা। এমন ঘটনা ঘটেছে
হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা.
এস টি এম আবু আজমের সামনেই। ডা.
মো. কামরুল হাসান জানান, কিছুদিন
আগে তার নিজ এলাকা থেকে এক
অসহায় লোক হৃদরোগ হাসপাতালে
ভর্তি হন। টাকার অভাবে চিকিৎসা
করতে না পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে
টাকা তোলার সময় তার সাথে পরিচয়
হয়। এরপর কামরুল হাসানের
তত্ত্বাবধায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা
তুলে দেয় হয়। যে রোগীকে কামরুল
হাসান সাহায্য করেছেন তার পাশের
সিটের সাজেদা আক্তার নামে
পঞ্চগড় থেকে আসা আরেক অসহায়
নারী তার বাচ্চাকে বাঁচাতে
কামরুল হাসানের নিকট কান্নাকাটি
করে সাহায্য চান। ফলে অপরিচিত
হলেও কামরুল হাসান ওই নারীকেও
সাহায্য করতে চেষ্টা করেন।
শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই নারীকেও
বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে টাকা তুলে
দেয়া হয়। কিন্তু ওই নারী কামরুল
হাসানের কাছে হাসপাতালের
দালাল চক্রের কথা জানিয়ে বলেন,
হাসপাতাল থেকে একই টেস্ট বারবার
দেয়া হচ্ছে এবং ওই নারী নিজ
এলাকা দেবীগঞ্জ আসনের এমপির
সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তারা তাকে
কোনো ছাড় বা সুবিধা দিতে রাজি
হচ্ছে না। ঘটনাটি শুনে তিনি
হাসপাতালে গেলে তাকেও কোনো
পাত্তা দেয় না দালাল চক্রের
লোকজন। এক পর্যায়ে দালাল চক্রের
সদস্যরা কামরুল হাসানের সাথে বাগ-
বিতণ্ডা শুরু করে। এসব ঘটনার বিচার
দিতে হাসপাতালের পরিচালকের
রুমে গেলেই দালালরা সেখানেই
তাকে হত্যার হুমকি দেন। তিনি আরও
জানান, পরিচালকের রুমে অভিযোগ
দিতে গিয়ে দেখি যেসব লোকের
সাথে আমার বাক-বিতন্ডা হয়েছে
তারা সেখানেই বসা। এরপর আমার
অভিযোগ তুলে ধরলে তারা আমাকে
বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধমকি দিতে শুরু
করে। তাতেও তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি
আমি ঐ রুম থেকে বেরিয়ে যেতে
চাইলে কর্মচারী দিয়ে আমাকে
আটকিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন আমাকে
বলে আমার মত কয়েকজনকে নাকি
গায়েব করে ফেলার ক্ষমতা তার আছে!
ঘটনাটি কামরুল হাসানের ছাত্ররা
জানতে পেরে হাসপাতাল গেলে
দালালরা পালিয়ে যান। এরপর
উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা
হাসপাতালের অভ্যন্তরে গন্ডগোল
করতে চাইলেও অন্যান্য শিক্ষক এবং
পরবর্তিতে শেরেবাংলা থানা
থেকে পুলিশ এসে শিক্ষার্থীদের
থামিয়ে দেয় এবং বিচারের আশ্বাস
দেয়। এ ব্যাপারে শেরেবাংলা
থানার ওসি জি জি বিশ্বাস এবং এস
আই সাব্বির বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক
মীমাংসার জন্য শিক্ষক কামরুল
হাসানকে অনুরোধ করেন। এ সময়
হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে
শিক্ষক কামরুল হাসান,
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.
মোঃ মিজানুর রহমান, এনিম্যাল সাইন্স
এন্ড ভেটেরিনারী মেডিসিন
অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ
মোফাজ্জল হোসাইন, হাসপাতালের
পরিচালক অধ্যাপক ডা.এস টি এম আবু
আজম, অন্যান্য ডাক্তার, শেরেবাংলা
থানা পুলিশের ওসি, এস আই এবং
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের
সাধারণ সস্পাদক দেবাশীষ দাশ ও
স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা
বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসেন। পরে
ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে
হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা.
এসটিএম আবু আজম দু’দিনের মধ্যে তিন
সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মাধ্যমে তদন্ত
করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে
শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে
আসেন। রোগী এবং স্থানীয়
কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা
গেছে, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও
হাসপাতালে বেড়েই চলেছে দালাল
চক্রের দৌরাত্ম। এই দালাল চক্রের
খপ্পরে পরে অসহায় হয়ে পড়ছেন দেশের
বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিভিন্ন
শ্রেণী-পেশার রোগীরা। মন্ত্রী-
এমপিদের সুপারিশেরও তোয়াক্কা
করছে না এসব দালাল চক্রের সদস্যরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মিজানুর
রহমান বলেন, ‘হৃদরোগের পরিচালক এই
অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্যে দুঃখ প্রকাশ
করে অভিযুক্তদের বিরূদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

Saturday, August 29, 2015

on

জাতির জনকের স্বরণে নোবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে দেয়ালিকা উন্মোচন

জাতির জনকের স্বরণে নোবিপ্রবির অর্থনীতি বিভাগে দেয়ালিকা উন্মোচন।

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ তরিকুল শাওন
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগে জাতির জনকের স্বরণে দেয়ালিকা উন্মোচন করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল ১১টায় নোবিপ্রবি´র উপাচার্য ড.এম অহিদুজ্জামান অর্থনীতি বিভাগ কর্তৃক জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে নির্মিত দেয়ালিকা “মিয়া ভাই” এর উন্মোচন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারী মুশফিকুর রহমান,ফিশারিজ এন্ড মেরিন সাইন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড.জাহাঙ্গীর সরকার,অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান খশরুল আলম সহ উপস্থিত ছিলেন লেকচারার বিনাতা রানী সেন,মোঃ ফরিদ দেওয়ান,তানিয়া ইসলাম ও অর্ধশত শিক্ষার্থী।
দেয়ালিকা উন্মোচন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য ড.এম অহিদুজ্জামান,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফিশারিজ এন্ড মেরিন সাইন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড.জাহাঙ্গীর সরকার।
এ সময় অর্থনীতি বিভাগের লেকচারার তানিয়া ইসলাম,বিনাতা রানী সেন এবং ছাত্রদের পক্ষ থেকে ৮ম ব্যাচের তাহ্রিম ফারিয়ান ভিকিও বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড.এম অহিদুজ্জামান বলেন বঙ্গবন্ধু ছোট বেলা থেকেই ছিলেন কোমল স্বভাবের অধিকারী । যখন তিনি রাজনীতি বুঝতেন না,স্বাধীনতার মানে জানতেন না তখন থেকেই তিনি দেশকে ভালবাসতেন,দেশের মানুষকে ভালবাসতেন । তিনি ছিলেন এক বিশ্বমানের নেতা,সারাজীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন নির্যাতিত মানুষের অধীকার প্রতিষ্ঠার জন্য। তার বাস ভবনে ছিল সর্বসাধারণের অবাধ-বিচরণ। মৃত্যুর আগ পর্যন্তও তার ধ্যান ধারনায় ছিল দেশ এবং দেশের মানুষ।
৯ম ব্যাচের ছাত্রী জয়শ্রী কুড়ী এবং ১০ম ব্যাচের ছাত্র সজীবের সঞ্চালনায়
পুরো অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান খশরুল আলম।

Thursday, August 27, 2015

on

শেকৃবিতে শকুন সংরক্ষণ বিষয়ক সেমিনার আজ!

 শেকৃবিতে শকুন সংরক্ষণ
বিষয়ক সেমিনার আজ.......

 মোঃ আব্দুল্লাহ
আল জাবের, শেকৃবি।

 শেরেবাংলা
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বিকাল ৩টায়
‘এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড
ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ’ ও
‘মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ
বিভাগ’ এর উদ্যোগে বিলুপ্তপ্রায় শকুন
সংরক্ষণে ‘সেফ ড্রাগ এন্ড ভালচার
কনজারভেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক
একটি সেমিনার ও উন্মুক্ত আলোচনার
আয়োজন করা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ ন্যাচার
(আইইউসিএন) এর সহায়তায় উক্ত
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন
আইইউসিএন-বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম
অফিসার (প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর)
জনাব এ বি এম সরোয়ার আলম এবং
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন এন্ড
পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান
ডঃ কে বি এম সাইফুল ইসলাম।
সেমিনারে শকুনের বর্তমান অবস্থা ও
সংরক্ষণের উপর একটি প্রামাণ্যচিত্র
দেখানো হবে। শকুন একটি মৃতজীবী
পাখি, যা পরিবেশের ভারসাম্য
রক্ষায় যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখে। এরা
সাধারণত মৃত প্রাণী ভক্ষণ করে
পরিবেশকে পরিস্কার রাখে। কিন্তু
ইদানীং বিভিন্ন দেশে, গবাদি পশু
চিকিৎসায় ব্যবহৃত 'ডাইক্লোফেন'
নামের ব্যথানাশক ঔষধের প্রভাবে শকুন
মারা যাচ্ছে। একারণে ডাইক্লোফেন
ভারত <https://bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A6%AD%E0%A6%BE
%E0%A6%B0%E0%A6%A4>, পাকিস্তান
<https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA
%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF
%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE
%E0%A6%A8> ও নেপালে <https://
bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A6%BE
%E0%A6%B2> নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে।
বাংলাদেশে <https://bn.wikipedia.org/
wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE
%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE
%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6>
ডাইক্লোফেনের যথেচ্ছ ব্যবহারের
কারণে শকুন বিলুপ্তির মুখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মৃত পশুর মাংস
শকুনের কোনো ক্ষতি করে না; কিন্তু
ডাইক্লোফেন দেওয়া হয়েছে, এমন মৃত
পশুর মাংস খেলে কিডনি <https://
bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BF
%E0%A6%A1%E0%A6%A8%E0%A6%BF> নষ্ট হয়ে
২-৩ দিনের মধ্যে শকুনের মৃত্যু ঘটে। এ
কারণে গত তিন দশকে (২০১০ <https://
bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%A6>)
উপমহাদেশে ৭৫% শকুন মারা গেছে।
১৯৮০ <https://bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AE
%E0%A7%A6>'র দশকে সার্ক <https://
bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE
%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95>ভুক্ত
দেশে প্রায় ৪,০০,০০,০০০ শকুনের অস্তিত্ব
ছিলো, অথচ এই সংখ্যা এখন কমে মাত্র
৪০,০০০-এ এসে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য,
সারা বিশ্বে শকুনকে বিলুপ্তির হাত
থেকে বাঁচাতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর
<https://bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D
%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8D
%E0%A6%AC%E0%A6%B0> মাসের ৫ <https://
bn.wikipedia.org/wiki/
%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D
%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8D
%E0%A6%AC%E0%A6%B0_%E0%A7%AB>
তারিখ আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা
দিবস <https://bn.wikipedia.org/w/index.php?
title=%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D
%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D
%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF
%E0%A6%95_
%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8_
%E0%A6%B8%E0%A6%9A
%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE_
%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC
%E0%A6%B8&action=edit&redlink=1> পালিত হয়ে থাকে।

Sunday, August 23, 2015

on

পবিপ্রবিতে ছাত্রমৈত্রীর কমিটি গঠন!


পবিপ্রবিতে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর আহবায়ক কমিটি ঘোষণা।

"মেহনতি জনতার সাথে একাত্ম হও" এই স্লোগান কে সামনে রেখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিঃস্ত ক্যাম্পাস 'এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন' অনুষদে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু হচ্ছে "বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর"।
গত ১৮-ই আগষ্ট আবার নব উদ্যোমে যাত্রা শুরু হল বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর।
ঐদিন বিকাল ৫:৩০ ঘটিকায় শুরু হওয়া উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির কেন্দ্রীয় বিকল্প সদস্য কমরেড বজলুর রহমান স্যার,বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল মহানগরীর সভাপতি শামিল শাহরোখ তমাল,বি এম কলেজ,কৃষি ইনস্টিটিউট ও বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রমৈত্রীর বিপ্লবী নেতৃবৃন্দ সহ বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টি,যুবমৈত্রী ও ছাত্রমৈত্রীর বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
সূত্রে জানা যায়-
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় বর্ষের ছাত্র নাহিদ হাসান কে আহবায়ক ও আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং আহসান আকিব নামের অপর ছাত্রনেতা কে যুগ্ন আহবায়ক করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শামিল শাহরোখ তমাল।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর নীতি আদর্শ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এবং নব গঠিত কমিটির স্বার্থে কেন্দ্রীয় ভাবে যেকোনো সাহায্য ও সহযোগীতা করার দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করেন।

সভা শেষে ছাত্রমৈত্রীর নেতা কর্মীরা সন্ধ্যায় নানা বিপ্লবী স্লোগানে মিছিল বের করেন এবং মিছিল টি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অনুষদীয় প্রধান ফটকে এসে সমাপ্ত হয়।

Comments

Popular

Featured Video