Showing posts with label Admission. Show all posts
Showing posts with label Admission. Show all posts

Thursday, September 10, 2015

on

বশেমুরবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে নতুন ৬টি বিভাগ

বশেমুরবিপ্রবি ভয়েস :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ২০১৫-১৬ শিক্ষবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় চলতি বছর থেকেই যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন ছয়টি বিভাগ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ১৪টি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আইন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি, মার্কেটিং এবং অ্যাগ্রিকালচার নামে নতুন ৬টি বিভাগ।

ফলে চলতি বছর ২০টি বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের আওতায় ১৪টি বিভাগ চালু রয়েছে।

২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে নতুন চালু হতে যাওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিজ্ঞান অনুষদের আওতায়, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জীববিজ্ঞান অনুষদের আওতায়, মার্কেটিং বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের আওতায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের আওতায়।

তবে অ্যাগ্রিকালচার এবং আইন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা কোন অনুষদের আওতায় অনুষ্ঠিত হবে এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ভর্তি বিজ্ঞপ্তিসহ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.bsmrstu.edu.bd-এ পাওয়া যাবে।

on

ঢাবির ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে। আজ সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়ার সমাপ্তি টানবেন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ অক্টোবর, ‘খ’ ইউনিটের ৯ অক্টোবর, ‘গ’ ইউনিটের ১৬ অক্টোবর, ‘ঘ’ ইউনিটের ৬ নভেম্বর এবং ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান অংশ ১০ অক্টোবর ও অঙ্কন অংশ ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

Tuesday, September 1, 2015

on

ভেটেরিনারিয়ান হতে চাইলে!!!!

ভেটেরিনারিয়ান হতে চাইলে!!!!!

প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষেরই
পেশা কৃষি কেন্দ্রিক। তাই এ দেশের
মানুষের উন্নয়নের অর্থ হচ্ছে কৃষিকে
উন্নত করা। আর কৃষিক্ষেত্রের বৈপ্লবিক
উন্নয়নের জন্য প্রাণী সম্পদের উন্নয়নও
অপরিহার্য। আর এ প্রাণী সম্পদের
উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ
ভেটেরিনারিয়ান। প্রাণী
চিকিত্সকরাই সাধারণত
ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে
পরিচিত। দেশে প্রাণীদের নতুন নতুন
রোগের যেমন- এনথ্রাক্স, বার্ড ফ্লু
প্রভৃতির মতো ভয়াবহ জেনেটিক
রোগের প্রাদুর্ভাবের ফলে আমাদের
দেশে দিন দিন
ভেটেরিনারিয়ানদের চাহিদা ও
কাজের সুযোগ বেড়েই চলেছে। ফলে
ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে
ক্যারিয়ার শুরুর অল্পদিনের মধ্যেই
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। ফলে
এই বিষয়টির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন এখনকার
তরুণেরা।
পড়তে যে যোগ্যতা লাগবে: এ
পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার
মাধ্যমে একজন দক্ষ প্রাণী চিকিত্সক
হিসেবে দেশের সেবা করার জন্য
আপনাকে অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগ হতে
পাস করতে হবে। সেই সাথে
জীববিজ্ঞান বিষয়টি অবশ্যই আপনার
বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে।
উচ্চশিক্ষার সুযোগ: ডিভিএম পাস
করার পর একজন ভেটেরিনারিয়ান
বাংলাদেশেই উচ্চতর শিক্ষা অর্জন
করতে পারেন। দেশের যে কোন
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
মাইক্রোবায়োলজি,
বায়োকেমিস্ট্রি, ফার্মেসী,
পাবলিক হেলথসহ সকল সাবজেক্টে এমএস
ও পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। সেই
সাথে উন্নত বিশ্বের যে কোনো
দেশে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন
বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমে
অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অন্য পেশা হতে
প্রাধান্য পেয়ে থাকে।
যে সব বিষয়ে পড়তে পারেন:
ভেটেরিনারি সায়েন্স ও মেডিসিন
বিষয়ের কোর্সগুলো সাধারণত পাঁচ
বছরের হয়ে থাকে। এর মূল উপজীব্য
হলো পশু-পাখির চিকিত্সা। এর
সাথে সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সব বিষয়ের
বাইরেও ওষুধবিদ্যা এবং
চিকিত্সাবিজ্ঞানের অনেককিছুই
পড়ানো হয়ে থাকে বিশেষায়িত এই
কোর্সে। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ
ও চিটাগং ভেটেরিনারি অ্যান্ড
অ্যানিমেল সায়েন্সেস
ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে
অ্যানাটমি, প্যাথলজি, ফিজিওলজি,
সার্জারি ইত্যাদি বেশকিছু বিভাগে
পড়ার সুযোগ। এর বাইরেও বেশকিছু
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি ও
অ্যানিমেল সায়েন্স পড়ানো হয়ে
থাকে। প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই
পড়ালেখার শেষে রয়েছে
ইন্টার্নশিপের সুযোগ।
আপনার সুযোগ: বর্তমান সময়ে
ভেটেরিনারি সায়েন্স বা
পশুচিকিত্সার বেশ ভালো চাহিদা
রয়েছে। দেশের বাইরেও চাকরির
সুযোগ ছাড়াও রয়েছে উচ্চতর
গবেষণার। এসব বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অর্জনের পরেই চাকরিতে প্রবেশের
সুযোগ পাওয়া যায়। তবে স্নাতক
ডিগ্রি অর্জনের পর স্নাতকোত্তর
ডিগ্রি অর্জন করতে পারলে সেটা
অবশ্যই আপনাকে এগিয়ে রাখবে। এসব
বিষয়ে পড়ালেখা শেষে চাকরির
ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে দেশের কৃষি
সংক্রান্ত বিভিন্ন ফার্ম। এসব ফার্মে
ভেটেরিনারি ডিগ্রিধারীদের
অগ্রাধিকার দেয়া হয়ে থাকে।
এছাড়া যেসব এনজিও পশুচিকিত্সা ও
প্রাণীদের নিয়ে কাজ করছে, সে সব
এনজিওতেও এসব বিষয়ের
শিক্ষার্থীদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
ভেটেরিনারি অফিসার হিসেবে
সরকারি চাকরির পদে এ বিষয়ে
ডিগ্রিধারীদের রয়েছে একাধিপত্য।
আর বড় বড় পোল্ট্রি ও ডেইরি
ফার্মগুলোতেও এই ডিগ্রিধারীদের
ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
পড়বেন যেখানে: চট্টগ্রামের চিটাগং
ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল
সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি ও চারটি
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশে
মোট আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভেটেরিনারি সায়েন্স অনুষদ বা
বিভাগ রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ),
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের
কৃষি অনুষদে রয়েছে ভেটেরিনারি
সায়েন্স বিভাগ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পটুয়াখালী ও
হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়েও ভেটেরিনারি
সায়েন্স অনুষদ রয়েছে। এ ছাড়া
ঝিনাইদহে রয়েছে ঝিনাইদহ সরকারি
ভেটেরিনারি কলেজ।
ভর্তি তথ্য ও আবেদন প্রক্রিয়া: যে সব
প্রতিষ্ঠানে ভেটেরিনারি সায়েন্স
পড়ানো হয়, তাদের নিজ নিজ
প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেই ভর্তি ও
আবেদন প্রক্রিয়ার যাবতীয় তথ্য পাওয়া
যাবে। নিচের তালিকায় এসব
প্রতিষ্ঠানের নাম এবং ওয়েবসাইটের
ঠিকানা তুলে ধরা হলো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটসমূহ
 চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.cvasu.ac.bd
 বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.bau.edu.bd
 শেরেবাংলা কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.sau.edu.bd
 সিলেট কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.sau.ac.bd
 শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়:bsmrau.edu.bd
 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: www.ru.ac.bd
 হাজী দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:
www.hstu.ac.bd
 পটুয়াখালী প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়: www.pstu.ac.bd

Tuesday, August 11, 2015

on

মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরিক্ষায় পাস নম্বর কমছে!


মেডিকেল এবং ডেন্টাল ভর্তি
পরীক্ষায় পাস নম্বর কমছে;

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি
পরীক্ষায় পাস নম্বর কমছে। ১০০ নম্বরের
ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পাওয়ার
বাধ্যবাধকতা শিথিলের নীতিগত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার
ফলাফল বিপর্যয় বিবেচনা ও
বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল
কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)
এর পাস নম্বর কমানোর আবেদনের
পরিপ্রেক্ষিতে পাস নম্বর
পুনঃনির্ধারণ করার জোর
চিন্তাভাবনা চলছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে
অনুষ্ঠিতব্য এক জরুরী সভায় এ সম্পর্কে
চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়,স্বাস্থ্য অধিদফতর,
বিপিএমসিএ ও বাংলাদেশ
মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল
(বিপিএমসিএ) এর একাধিক
দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত
করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক
(চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন)
অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল হান্নানের
কাছে জানতে চাইলে তিনি
জানান, বিপিএমসিএ সভাপতি
মোয়াজ্জেম হোসেন আসন্ন ভর্তি
পরীক্ষায় মেডিকেলে ১২০ ও ডেন্টাল
কলেজে ১১০ পাস নম্বর করার অনুরোধ
জানিয়ে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের
কাছে চিঠি দিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম
বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে মেডিকেল ও
ডেন্টাল কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত এক
বৈঠক ডেকেছেন। প্রাথমিকভাবে
আগামি ১৮ সেপ্টেম্বর সরকারি
বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল
কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক
দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে দিনক্ষণ
চুড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর কমছে নাকি
আগের মতো থাকছে এ ব্যাপারে ডা.
হান্নানের কাছে জানতে চাইলে
তিনি কিছু জানাতে অপারগতা
প্রকাশ করেন এবং বলেন, বৃহস্পতিবারের
বৈঠক পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, জানতে
পারবেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে
গত বছরের ভর্তি পরীক্ষায় ৬৮
হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ভর্তির
আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ৬৬
হাজার ৯শ ৮৭ জন অংশগ্রহণ করে। মোট
২২ হাজার ৫শ ৫৯ জন পরীক্ষার্থী পাস
নম্বর ৪০ পায়।
বিপিএমসিএ’র সভাপতি
ডা.মোয়াজ্জেম হোসেন মঙ্গলবার
সকালে জানান,প্রাইভেট মেডিকেল
বা ডেন্টাল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে
পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি
ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী বা তার
পরিবারের আর্থিক ক্ষমতা একটি অন্যতম
গুরত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয় গত বছর থেকে ১০০ নম্বরের
ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ নির্ধারণ
করে দেয়ায় বেসরকারি বহু মেডিকেল
ও ডেন্টাল কলেজের আসন শূন্য ছিল।
বৃহস্পতিবারের সভায় তারা এ
সংক্রান্ত তথ্যউপাত্ত উত্থাপন করবেন।
তিনি বলেন, চলতি বছর এইচএসসির
ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে। গত বছরের
তুলনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর
সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার কমে গেছে। এ
অবস্থায় মেডিকেল ও ডেন্টাল
কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর
কমানো না হলে ভর্তির জন্য
শিক্ষার্থী খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
তিনি জানান, গত বছর বেসরকারি ১৮
ডেন্টাল কলেজে দেড় সহস্রাধিক
আসনে মাত্র ১৩৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তি
হয়েছিল। এক পর্যায়ে শুধুমাত্র প্রাইভেট
ডেন্টাল কলেজে ভর্তির জন্য পাস নম্বর
৪০ থেকে কমিয়ে ৩০ নম্বর করলেও
ডেন্টাল কলেজে শতকরা ৫০ ভাগ আসনও
পূরণ হয়নি। প্রাইভেট সেক্টরকে ধ্বংসের
হাত থেকে রক্ষা করতে হলে ভর্তি
পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ এর বাধ্যবাধকতা
আবশ্যিকভাবে কমাতে হবে। তারা
মেডিকেল কলেজের জন্য ১২০ ও
ডেন্টাল কলেজের জন্য ১১০ নম্বর
প্রস্তাব করেছেন।
উল্লেখ্য মেডিকেল কলেজে ভর্তির
ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায়
প্রাপ্ত মোট নম্বর মিলিয়ে (এসএসসির
শতকরা ৪০ ও এইচএসসির ৬০) ধরে মোট ১০০
নম্বর ও ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরসহ মোট
২০০ নম্বরের ওপর ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে চলতি
বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়
ও গত বছর আসন শূন্য থাকার বিষয়টি
সম্পর্কে অবহিত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ইতোমধ্যেই স্বাস্থ্যবিভাগের
কর্মকর্তাদের ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর
কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যায়
কিনা তা নিয়ে চিন্তাভাবনা
করতে বলেছেন।
সূত্র জানায়, সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব
না হলেও সরকারি বেসরকারি উভয়
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের জন্য
১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর
শেষ পর্যন্ত ৩০ করা হতে পারে।

Thursday, August 6, 2015

on

দেখে নিন সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধের তারিখ!!


General Universities:


  • Dhaka University: 9, 10, 16, 17, 30 October and

6 November

  • Jagannath University: The day later on Dhaka

University

  • Jahangirnagar University, Savar, Dhaka: From

October 25 to November 5

  • Rajshahi University: November 9 to 12
  • Chittagong University: From 1 to 9 November
  • Islamic University, Kustiya: From 15 to 19

November

  • Jatiya Kabi Kazi Nazrul Islam University: From

9 to 12 November

  • Barisal University: November 27 and 28
  • Begum Rokeya University, Rangpur: 4, 5 and 6

December

  • Khulna University: 11 and 12 December
  • Bangladesh University of Professionals: 23, 24,

30 and 31 October


  • Comilla University: 4 and 5 December

National University: October 1

Engineering Universities:

Bangladesh University of Engineering and
Technology: 10 or 17 October

Chittagong University of Engineering and
Technology: October 31

Rajshahi University of Engineering and
Technology: November 14

Khulna University of Engineering and
Technology: November 6

Bangladesh Textile University, Tejgaon, Dhaka:
20 or 27 November

Agriculture Universities:

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
Agricultural University: 14 November

Bangladesh Agricultural University: 5 December

Sher-E-Bangla Agricultural University: 18
December

Sylhet Agricultural University: November 28

Chittagong Veterinary and Animal Sciences
University: November 7

Science and Technology Universities:

Pabna University of Science and Technology:
November 13

Hajee Mohammad Danesh Science and
Technology University: 30 November and from
1 to 3 December

Shahjalal University of Science and
Technology: 14 November

Jessore Science and Technology University: 20
and 21 November

Mawlana Bhashani Science and Technology
University: 27 and 28 November

Patuakhali Science and Technology University:
13 and 14 December

Noakhali Science and Technology University:

  • 20 and 21 November.

Wednesday, July 29, 2015

on

রাবি'তে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু ১ লা অক্টোবর থেকে!

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকমঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি)
২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান)
প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও
পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা
হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত
উপকমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া
হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার
উপ-রেজিস্ট্রার এএইচএম আসলাম
হোসাইন। তিনি জানান, ভর্তিচ্ছুরা ১
অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন
করতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া চলবে ১৮
অক্টোবর পর্যন্ত। আবেদন শেষে ৯ থেকে
১২ নভেম্বর বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তি
পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
এবার ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের
বিষয়ে বিগত বছর থেকে তেমন কোনো
পরিবর্তন আনা হয়নি। ভর্তিচ্ছুরা
দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ
নিতে পারবেন।
আবেদনসহ ভর্তির প্রক্রিয়াসম্পর্কিত
বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
ওয়েবসাইট www.ru.ac.bd এ পাওয়া
যাবে। এ ছাড়া এ সংক্রান্ত তথ্য
গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারেও প্রকাশ
করা হবে বলে জনসংযোগ দফতর সূত্রে
জানা গেছে।

Monday, July 6, 2015

on

ঢাবিতে দ্বিতীয় বার ভর্তি পরিক্ষার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি;শুনানি আগামিকাল

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকমঃ

অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বার ভর্তি পরিক্ষা দেয়া যাবে কি যাবে না - এই সমস্যার ইতি টানতে আজ (৬ জুলাই) হাইকোর্টে রায় শুনানিহয়েছে।

যেখানে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের পক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
কিন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন নি।
তারা বরাবরের মত একদিনের সময় চেয়েছেন।
তাই আগামিকাল(৭ জুলাই) আবার শুনানি হবে বলে জানা গেছে।
এই বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যায় যে
তাদের ধারনা বিজয়ের শেষ হাসি টুকু তারাই হাসবেন। আর বেশি আপেক্ষা নয়,মাত্র একদিন পরেই তারা সফলকাম হবেন বলে লিখলেন অনেকেই।
আগামিকাল শুনানি শেষেই জানা যাবে -
২০১৪ সালের এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় বারের মত তাদের স্বপ্নের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সুযোগ টুকু পাচ্ছে কি না!


on

ঢাবিতে দ্বিতীয় বার ভর্তি পরিক্ষার সিদ্ধান্ত আজ!!!

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকমঃ


ঢাবি তে দ্বিতীয় বার পরিক্ষা দেয়া যাবে না- এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২য়বার ভর্তি
পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগের দাবিতে
দীর্ঘদিন যাবত ই আন্দোলন চলছিল।
 হাজারো শিক্ষর্থীই অংশগ্রহণ করেছিল
আন্দোলনে।

ওদের মধ্যে রিয়াজ,ফারিহা
তাবাস্সুম,নাহিয়ানসহ আরো
কয়েকজনের ভুমিকা অনেক বেশিই!
দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা মামলাটি
শুনানি আজ হচ্ছে।বহু ত্যাগ তীতিক্ষা ও
প্রতীক্ষার পর,আজকে তারিখ ধার্য
করেছে হাইকোর্ট।দুপুর সাড়ে ১২টা
থেকে ১টার মধ্যে হয়তো চূড়ান্ত
ফলাফল পাওয়া যাবে ।মানে
দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগটা
থাকছে কিনা!

যারা ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ
পায়নি,তাদের জন্য আমাদের পক্ষ
থেকে অনেক শুভকামনা রইল।
তবে যদি দ্বিতীয় বার সুযোগ থাকে তবে
রইল অনেক অনেক দোয়া।এবার হয়তো মিস হবে না।

Friday, July 3, 2015

on

লক্ষ্য যখন ঢাবি'র ঘ ইউনিট

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকমঃ


বিভাগ পরিবর্তনের জন্য ভর্তি
পরীক্ষা দিতে হয় ‘ঘ’ ইউনিটে।
বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক—সব
শিক্ষার্থীর জন্য এটি উন্মুক্ত। তবে
সবার জন্য পরীক্ষাপদ্ধতি একই।
‘ঘ’ ইউনিটে ১০০টি প্রশ্নে ১২০
নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি প্রশ্নের মান ১.২। বাংলা ও
ইংরেজি থেকে ২৫টি এবং
সাধারণ জ্ঞান থেকে ৫০টি প্রশ্ন
থাকে। সাধারণ জ্ঞান অংশটিতে
আলাদা ২৫টি করে বাংলাদেশ
বিষয়ক ও আন্তর্জাতিক ঘটনার উপর
প্রশ্ন থাকে।
সিলেবাস মোটামুটি যাদের কম্পলিট  তারা। এখন ঘরে বসে মডেল
টেস্ট দিতে পারলে সবচেয়ে
বেশি কাজে লাগবে। এমসিকিউ
প্রশ্ন চর্চা বেশি করলে পরীক্ষার
হলে টেনশন থাকবে না।
নিয়মিত খবর দেখো। পত্রিকা
পড়ো। বিভিন্ন সাল-তারিখ মনে
রাখতে চেষ্টা কেরা। সাধারণ
জ্ঞানে ভালো করতে
মানচিত্রটা মনে গেঁথে নিতে
পারো, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও
বিশ্ব মানচিত্র। খেলাধুলা,
আবিষ্কার, রাজনীতি, স্থাপনা,
পুরস্কার, সাম্প্রতিক আলোচিত
ঘটনা ইত্যাদি সম্বন্ধে ভালো
ধারণা রাখতে হবে।
পরীক্ষার দিনের জন্য বলব,
কোনোভাবেই ভুল উত্তর করা যাবে
না। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৩০
করে নম্বর কাটা যাবে। উত্তরপত্রে
বৃত্ত ভরাট করার সময় অবশ্যই প্রশ্নের
নম্বর ও উত্তরের নম্বর দেখে নিতে
হবে। অনেক সময় একটি ঘর ভুলের
কারণে পরবর্তী সব উত্তর এক ঘর
পিছিয়ে যায়। তাই এ বিষয়ে সতর্ক
থাকতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে
আমি এক কথায় বলব, নিজের প্রতি
আস্থা রাখো। আত্মবিশ্বাসই
তোমাকে অনেক এগিয়ে দেবে।

Thursday, July 2, 2015

on

ভর্তি পরিক্ষার সাধারণ দিকনির্দেশনা ও মানবন্টণ।

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকম এডমিশন ডেস্কঃ


ভর্তি পরীক্ষার দিক-নির্দেশনামূলক আলোচনায়
সবাইকে স্বাগতম । এই লেখায় বিজ্ঞান শাখার
ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হবে। একই
সাথে অনেক ধরণের প্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষা পদ্ধতি
নিয়ে আলোচনা করা হবে; তাই আলোচনাটি যতটা
সম্ভব সংক্ষিপ্ত রাখা হবে।
০১। মেডিক্যাল কলেজঃ
বাংলাদেশে বর্তমানে পাবলিক মেডিক্যাল কলেজ
সংখ্যা ২৫। একই দিনে, একই সময়ে ও একই
প্রশ্নপত্রে সকল মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে
অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার মান বণ্টন নিম্নরূপ।
পদার্থবিজ্ঞান= ২০
রসায়ন= ২৫
জীববিজ্ঞান= ৩০
ইংরেজি= ১৫
সাধারণ জ্ঞান= ১০
__________________________________
সর্বমোট= ১০০
এসএসসি=৪০
এইচএসসি=৬০
______________
০২। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
বাংলাদেশে চারটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
রয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
(BUET), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় (KUET), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (CUET) এবং রাজশাহী
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (RUET)।
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক পৃথক সময়ে, পৃথক
পৃথক পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
BUET-এ সর্বমোট ৬০০ মার্কের পরীক্ষা (৩০০
MCQ ও ৩০০ লিখিত) অনুষ্ঠিত হয়। KUET-এ
৫০০ মার্কের MCQ পদ্ধতির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হয়। CUET-এ সর্বমোট ৭০০ মার্কের পরীক্ষা
(৩৫০ MCQ ও ৩৫০ লিখিত) অনুষ্ঠিত হয়।
RUET-এ ৫০০ মার্কের MCQ পদ্ধতির পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র BUET এর ভর্তি পরীক্ষার
মান বণ্টন নীচে উল্লেখ করা হল।
MCQ
পদার্থবিজ্ঞান (৪০x২.৫)= ১০০
রসায়ন (৪০x২.৫)= ১০০
গণিত (৪০x২.৫)= ১০০
__________________________________
সর্বমোট= ৩০০
[প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ২৫%
(০.৬২৫ নম্বর) করে কাটা যাবে।]


______________
০৩। বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
এখানে বিশ্ববিদ্যালয় বলতে সাধারণ পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বোঝানো হচ্ছে। যেমনঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়… ইত্যাদি। শুধু ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মান
বণ্টন এখানে দেওয়া হল।
পদার্থবিজ্ঞান= ৩০
রসায়ন= ৩০
জীববিজ্ঞান= ৩০
গণিত= ৩০
ইংরেজি= ৩০
বাংলা= ৩০
_______________________________________
(যেকোন ৪টি বিষয় উত্তর করতে হবে)
সর্বমোট= ১২০
_________
০৪। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
বাংলাদেশে ৭টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), পটুয়াখালী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা
ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
(টাঙ্গাইল), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর)। শুধু
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন নীচে দেওয়া হল।
পদার্থবিজ্ঞান
রসায়ন
জীববিজ্ঞান
ইংরেজি
__________________________________
সর্বমোট= ৭০
এস
এইচ
______________
০৫। টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
বাংলাদেশে টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় একটি।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (BUTEX)। এর
ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন নিম্নরূপ।
উল্লেখ্য, BUTEX ছাড়াও খুলনা প্রকৌশল ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)-এ টেক্সটাইল
ইঞ্জিনিয়ারিং রয়েছে, যার আসন সংখ্যা ৬০।
পদার্থবিজ্ঞান= ২৫
রসায়ন= ২৫
গণিত= ২৫
ইংরেজি= ২৫
__________________________________
সর্বমোট= ১০০
এস
এইচএ
______________
০৬। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
বাংলাদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪টি। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), শেরে বাংলা কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভৃতি। এছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেনারি এন্ড
অ্যানিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন
নিম্নরূপ।
পদার্থবিজ্ঞান= ২৫
রসায়ন= ২৫
জীববিজ্ঞান= ২৫
ইংরেজি= ২৫
__________________________________
সর্বমোট= ১০০
এস
এইচএ
______________
এছাড়াও রয়েছে…
০৭। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং
মেরিন একাডেমী, চট্টগ্রাম।
০৮। ঘ ইউনিট এর মাধ্যমে বিজ্ঞান থেকে মানবিক
ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের বিষয়সমূহে চলে যাওয়ার
সুযোগ। (শীঘ্রই বিস্তারিত আকারে জানানো হবে)
০৯। জাতীয় ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ।


Disclaimer: উপরের তথ্যগুলো সাবধানতার সাথে
সংগ্রহ করা হয়েছে। তবু সকল তথ্য শতভাগ সঠিক
নাও হতে পারে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায়ই
ভর্তির নিয়মাবলী পরিবর্তন করে থাকে। তাই
সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে
তথ্যগুলো নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরামর্শ রইল।

Wednesday, July 1, 2015

on

জেনে নিন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদনের সময়সীমা ও পরিক্ষার তারিখ

ক্যাম্পাসভয়েস২৪ডটকম এডমিশন ডেস্কঃ

এ পর্যন্ত যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি
পরীক্ষার তারিখ ঘোষিত :
① ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
০৯ অক্টোবর-- খ ইউনিট ।
১৬ অক্টোবর--গ ইউনিট ।
১৭ অক্টোবর--চ ইউনিট ।
৩০ অক্টোবর--ক ইউনিট ।
০৬ নভেম্বর----ঘ ইউনিট ।
# আবেদন : ২০ আগষ্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর।
② জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
১০ অক্টোবর -ক ইউনিট ।
১৭ অক্টোবর -খ ইউনিট(প্রাক্তন খ+ঘ
ইউনিট)।
২৪ অক্টোবর -গ ইউনিট ।
৩১ অক্টোবর -চ ইউনিট ।
-সংরক্ষিত তারিখ: ৭ নভেম্বর।
③ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
০৯, ১০, ১১ ও ১২ নভেম্বর।
#আবেদন : ১ অক্টোবর থেকে ১৮
অক্টোবর।
৪. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় :
০১,০২,০৩,০৪,০৫ নভেম্বর ।
#১ নভেম্বর শুরু হওয়া ভর্তি পরীক্ষা শেষ
হবে ৯ নভেম্বর।
৫. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
বিশ্ববিদ্যালয় :
০৫, ০৬, ০৭ ও ০৮ নভেম্বর ।
৬. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া :
১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ।

Comments

Popular

Featured Video